Ad Code

Biosphere Reserve

 



Biosphere = জীবমণ্ডল। অর্থাৎ পৃথিবীর যে অংশে জীবের অস্তিত্ব রয়েছে। Reserve = সংরক্ষিত এলাকা

Biosphere Reserve = জীবমণ্ডলের গুরুত্বপূর্ণ অংশকে সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট বৃহৎ এলাকা।

1971 সালে UNESCO-এর Man and Biosphere Reserve Programme (MAB প্রকল্প)-এর অধীনে যে স্থলজ ও জলজ অঞ্চলে গোটা বাস্তুতন্ত্র ও তার সম্পূর্ণ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত হয়, তাকে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ বলে। এই অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ছাড়াও সেই অঞ্চলে আদিবাসী ও তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, জীবিকা ও সংস্কৃতিরও সংরক্ষণ করা হয়।

বৈশিষ্ট্য: 

• (i) এই অঞ্চলে জীবকূল স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক পরিবেশেই বৃদ্ধি পাবে এবং প্রজনন করবে। মানুষের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না। 

• (ii) প্রজাতির সংরক্ষণ ও সংখ্যাবৃদ্ধির জন্য গবেষণার সুযোগ থাকবে।


বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভে তিনটি অঞ্চল বর্তমান। যেমন কোর জোন, বাফার জোন এবং ট্রানজিশন জোন।



কোর জোন (Core zone): 

• আইনগতভাবে সংরক্ষিত কেন্দ্রীয় অঞ্চল। 

• এই অঞ্চলে মানুষের প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। 

• এখানে অনুমতি সাপেক্ষে গবেষণামূলক কাজকর্ম করা হয়।

বাফার জোন (Buffer zone): 

কেন্দ্রীয় কোর জোনকে ঘিরে অবস্থান করে। এই অঞ্চলে প্রাকৃতিক সম্পদের বিজ্ঞানসম্মত ব্যবহার, গবেষণা ও শিক্ষামূলক কাজকর্ম সীমিতভাবে অনুমোদিত।

• 🔬 Research

• 📚 Education

• 🌱 Training

• 🌳 Conservation-related activiti


ট্রানজিশন জোন (Transition zone): 

এটি ম্যানিপুলেশন অঞ্চল। সবচেয়ে বাইরের এই অংশে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা, স্থানীয় মানুষের বসতি, কৃষিকাজ, বনসৃজন, ভ্রমণ প্রভৃতি অনুমোদনযোগ্য। এই অংশে ক্ষতিগ্রস্ত বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়।

• 🌾 কৃষিকাজ

• 🐄 পশুপালন

• 🏘️ বসবাস

• 🧑‍🌾 স্থানীয় জীবিকা


বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের প্রধান কাজ:

1. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ

একটি এলাকায় অনেক ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণী থাকে। তাদের প্রজাতিগত বৈচিত্র্য যাতে হারিয়ে না যায়, তাই সংরক্ষণ করা হয়।

2. Ecosystem সংরক্ষণ

শুধু বাঘকে বাঁচালেই হবে না। বাঘের খাদ্য, বন, জল, উদ্ভিদ—পুরো ecosystem-টাকেই রক্ষা করতে হবে।

3. Genetic diversity সংরক্ষণ

একই প্রজাতির সব জীবও একরকম নয়। তাদের জিনগত পার্থক্য থাকে। এই genetic variation ভবিষ্যতে রোগ, পরিবেশের পরিবর্তন ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রজাতিকে টিকে থাকতে সাহায্য করতে পারে।

4. Research ও Education

বিজ্ঞানীরা এখানে জীববৈচিত্র্য, ecosystem এবং পরিবেশগত পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করতে পারেন। শিক্ষার্থীরাও পরিবেশ সম্পর্কে শিখতে পারে।

5. Sustainable development

মানুষের জীবন ও জীবিকা চলবে, কিন্তু এমনভাবে যাতে প্রকৃতির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি না হয়।





🖥 Information 🖥


• পৃথিবীতে প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ গঠিত হয় 1979 সালে। 

• এরপর পৃথিবীর 119 টি দেশে 631 টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ গঠিত হয়েছে। 

• ভারতে অবস্থিত 18 টি 

• ভারতের প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হল নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ (1986), তামিলনাড়ু



Post a Comment

0 Comments

Close Menu